ফুলবাড়ীয়ায় জমে উঠেছে তাল শাসের কদর

প্রকাশিত: ১০:১০ অপরাহ্ণ, জুন ১৮, ২০২০

মোঃ হেলাল উদ্দিন উজ্জল: এখনও তাল গাছ গুলো এক পায়ে দাঁড়িয়ে গ্রাম বাংলায়। গাছ গুলোতে কচি তালে ভরে গেছে। পাকার আগেই গ্রাম হয়ে তাল এখন শহরের অলিগলিতে । ফুলবাড়ীয়া উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে জমে উঠেছে তাল শাঁসের কদর। সেই সাথে বিক্রির ধুম। স্কুল, কলেজের ছাত্র-ছাত্রী, বৃদ্ধসহ বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের কাছে প্রিয় হয়ে উঠেছে এ ফল।
উপজেলার কেশরগঞ্জ বাজারের তাল শাঁস বিক্রেতা মনির হোসেন বলেন প্রতিটি তাল ১০ থেকে ১৫ টাকায় বেচাকেনা হয়। প্রতিটি তালের পাইকারি দাম ৪ টাকা থেকে ৫ টাকা। সে হিসাবে প্রতি গাছের তাল দেড় হাজার টাকা থেকে দুই টাকা করে বিক্রি হয়।
যে যেই নামে চিনুক বা জানুক এটি মৌসুমি ফল। মধুমাস জৈষ্ঠ্যতে বিভিন্ন ফলের সঙ্গে এই ফলেরও কদর বাড়ে। খেতে সুস্বাদু ফলটি রাস্তার মোড়ে, ফুটপাতে কিংবা হাট-বাজারে এ সময়টায় বিক্রি হয়। বিক্রির জন্য এই কচি তাল বাজারে তুলেছেন। বিক্রেতারা হাঁসুয়া বা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাল কেটে তালের শাঁস বের করছেন।
ফুলবাড়ীয়া প্রবীণ সাংবাদিক রফিক আহমেদ মিঠু বলেন বাজারে আসা অসংখ্য ফলের চেয়ে তাল শাঁসের বৈশিষ্ট্য আলাদা। একটি তালে ২-৩টি বীজ বা আঁটি থাকে। পরিপক্ব হওয়ার আগে সুস্বাদু তালশাঁস তুলতুলে নরম থাকে। মূলত তালের ভেতরে নরম তুলতুলে শাঁসই তালকোরা বা তালশাঁস। এটি ঠান্ডাা ও মিষ্টি জাতীয় সুস্বাদু খাবার। সব বয়সের মানুষের কাছে প্রিয় গরমের দিনে পিপাসা কাতর পথিকের তৃষ্ণা মেটায় তালের শাঁস। তালের শাঁস শরীর শীতল করার একটি অতি সুস্বাদু উপকরণ।
উপজেলা পরিষদ ফুল্লরা শপিং সেন্টারে সমানে তাল বিক্রেতা কৈয়ারচালা গ্রামের মনির বলেন, শিশু, কিশোর, যুবক-যুবতি, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা সবার কাছে প্রিয় তালের শাঁস। আবার মৌসুমি ফল বলে শখের বশেই অনেকে এটি খায়। দামেও বেশ সস্তা। তাই বাজারে এর কদরও বেশি। পাড়া মহল্লাহ ভ্যানে নিয়ে ফেরি করে তিনি এ তাল শাঁস বিক্রি করেন বলে জানান।তিনি আরওবলেন উপজেলা র কৈয়ারচালা ,কালাদহ,বাকতা, রাঙ্গামাটিয়া গ্রাম থেকে তাল সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার হারুন আল মাকসুদ বলে কাঁচা তালের শাসে থাকা জলীয়অংশ পানিশুন্যতা দুর করে এবং দেহকে ক্লান্তিহীন, রক্তশুন্যতা দুর করে, হাড় গঠনে সাহায্য করে,  কচি তালের শাঁস খেলে তৎক্ষনিত ভাবে শরীর ঠান্ডা হয়।