ফুলবাড়িয়ায় আগাম টক কুল চাষে স্বপ্ন বুনছেন সাইদুল

Jamal Jamal

Khan

প্রকাশিত: ৭:২৯ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৬, ২০২১

মো: হেলাল উদ্দিন উজ্জল:

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলায় রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নে পাহাড় অনন্তপুর গ্রামের সাইদুল ইসলাম আগাম টক কুল চাষে স্বপ্ন বুনছেন। কবিতায় আছে আম পাকে বৈশাখে, কুল পাকে ফাগুনে। এখন ফাল্গুন মাস নয়, অগ্রাহণ মাস থেকেই বাজারে পাওয়া যাবে আগাম এই টক কুল। আগাম জাতের এই টক স্বাদের কুল বড়ই আবাদ করে লাভবান হওয়ার আশায় স্বপ্ন বুনছেন শিক্ষিত যুবক ও কৃষি উদ্যোক্তা মো: সাইদুল ইসলাম।

তিনি রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়ন পাহাড় অনন্তপুরের আ.কদ্দুসের ছেলে। একটি প্রাইভেট কলেজ থেকে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এ লেখাপড়া শেষ করে কয়েক বছর প্রাইভেট কোম্পানীতে চাকুরী করলে তার মন পড়ে থাকত গ্রামে দিকে শহরে জীবন কে তার বন্দী জীবন মনে হতো। করোনা শুরু হওয়ার সময় কোম্পানী বন্ধ ঘোষনা করায় তিনি সুযোগ টি কাজে লাগান তিনি। বাড়িতে বসে অলস সময় না কাটিয়ে তিনি নিজ গ্রামেই ৪ একর জমি বৈশাখ মাসে লীজ নিয়ে ঝিনাইদহ থেকে প্রতিটি চারা ৪০টাকা দরে ক্রয় করে দুই হাজার চারশত আগাম টক কুল চারা রোপন করেন্এবং সাথী ফসল হিসেবে তিনি চায়না-৩ লেবু চারা রোপন করেছেন ৪ হাজার। অগ্রাহয়ণ মাস শেষ থেকেই বাজারে পাওয়া যাবে আগাম এই টক কুল।

কৃষি উদ্যোক্তা মো: সাইদুল ইসলাম বলেন আগাম টক কুল ৯মাস থেকে ফল পাকতে শুরু করবে প্রতিটি গাছে ৫কেজি কুল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আমার ২হাজার ৪শত রোপন করতে খরচ হয়েছে ১লক্ষ টাকা আর আয়ের সম্ভাবনা করে ৯ লক্ষ টাকা ।
ইউনিয়নের দাযিত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন,উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে প্রয়োজন মত সার কীটনাশক ব্যবহার করায় ফলন ভাল হয়েছে।
ফুলবাড়িয়া উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষন অফিসার বিল্লাল হোসেন বলেন, ফুলবাড়িয়ায় আগাম টক কুল বড়ই চাষের সম্ভাবনা রয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ জেসমিন নাহার বলেন কৃষি উদ্যোক্তা মো: সাইদুল ইসলাম কে দেখে ফুলবাড়িয়ায় অন্য চাষীরাও আগাম জাতের টক কুল চাষ করবে এধরনের কৃষি উদ্যোক্তাদের কে উপজেলা অফিস কৃসি অফিস থেকে সহায়তা প্রদান করা হয়।